প্রাগৈতিহাসিককালের নারী শিকারীর সন্ধান যেভাবে প্রচলিত লিঙ্গীয় ধারনাকে উল্টে দিয়েছে

এই লেখাটি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের সাইটে প্রকাশিত হয় ২০ নভেম্বর, ২০২০ এ। এনথ্রোসার্কেলের জন্য লেখাটি অনুবাদ করেছেন সাদিয়া শান্তা

এযাবৎকাল গবেষকদের ধারণা ছিল, প্রাগৈতিহাসিককালে শিকার কাজে শুধুমাত্র পুরুষদেরই ভূমিকা ছিল। তবে এ ধারণা যদি ভুল প্রমাণিত হয়? প্রকৃতপক্ষে কয়েক দশক ধরেই গবেষকদের ‘শিকারিমাত্রই পুরুষ’ ধারণার সুস্পষ্ট বিপরীত প্রমাণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

র‍্যান্ডল হ্যাস ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রত্নতাত্ত্বিক। তিনি ২০১৮ সালে গবেষকদের একটি দল নিয়ে পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার কাছে একটি খননকৃত সমাধির পাশে জড়ো হয়েছিলেন। সমাধিটি ছিল ৯,০০০ বছর পুরোনো। সেখানে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হাড়গোড়ের পাশাপাশি খুব অনেকগুলো পাথরের হাতিয়ার পাওয়া গিয়েছিল। যেসব হাতিয়ার প্রাচীন মানুষেরা বড় পশুশিকার এবং আত্মরক্ষার জন্য ব্যবহার করতো। 

র‍্যান্ডল হ্যাস ও তাঁর দলের অন্যান্য গবেষকরা এইসব হাতিয়ার দেখে ভাবছিলেন, ‘এইসব হাতিয়ার নিশ্চয়ই কোন দক্ষ শিকারীর হবে, হয়তো তিনি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ কেউ ছিলেন।’

মজার বিষয় হচ্ছে, গবেষকরা পরবর্তীতে পরীক্ষা করে দেখলেন পাথরের হাতিয়ারগুলোর পাশে যে দেহাবশেষ পড়ে আছে তা আসলে জৈবিকভাবে একজন নারীর। র‍্যান্ডল হ্যাসের গবেষক দল তখন আমেরিকায় একই সময়কার (প্রায় ৯,০০০ বছর আগের) যে সমাধিগুলো নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে, সেগুলো নিয়েই দ্বিতীয়বার গবেষণা করতে লেগে পড়লেন। দীর্ঘ গবেষণা শেষে তাঁরা প্রমাণ করে দেখালেন যে শিকারীদের মধ্যে হয়তো ৩০-৫০%-ই  জৈবিকভাবে নারী।  

আদিম কালের শিকারি সমাজের লিঙ্গীয় ভূমিকা (Gender role) নিয়ে গত এক দশক ধরে যে বিতর্ক হয়ে আসছে, এই গবেষণার ফলে সেই বিতর্কের মোড় ঘুরে যায়। এর আগে গবেষকদের মধ্যে প্রচলিত একটি ধারণা ছিল যে প্রাগৈতিহাসিককালে পুরুষেরাই কেবল শিকারী ছিল এবং নারীরা ছিল খাদ্য চয়নকারী (Gatherer), তারা কেবল বাচ্চা লালন-পালন করতো। উনিশ শতকে নৃবিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের আদিম শিকারী সমাজগুলো নিয়ে গবেষণা করে এক ধরনের ঐতিহাসিক লিঙ্গীয় ভূমিকা নথিভুক্ত করেছেন (যেমনঃ পুরুষরাই শুধু শিকার করতো)। তবে শেষ কয়েক দশক ধরে, অনেক তাত্ত্বিকের মতে প্রচলিত সেসব লিঙ্গীয় ভূমিকার বয়ান আমাদের অতীতকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে সমর্থ নয়। মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক পামেলা গ্যালার বলেন, “পেরুতে গবেষণা কাজে যখন প্রাচীন কালের নারী শিকারীর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, তখন সেখানে আরো প্রচুর প্রমাণ সহজেই পাওয়া যেতে পারে। এখন তথ্য পাওয়া গেছে, কিন্তু এসব তথ্যকে গবেষকরা কিভাবে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করবেন সেটাই দেখার বিষয়।”

কাদের হাতিয়ার?

সমাধিটি খনন করার পর গবেষকরা সেখানে পাথরের ২৪টি রঙিন হাতিয়ার পেয়েছিলেন। সেগুলোর মধ্যে ছিল Projectile Point (পাথরের ধারালো হাতিয়ার) যা সাধারণত বৃহদাকৃতির স্তন্যপায়ী প্রাণী বধ করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতো; ভারী শিলা যা সম্ভবত হাড় গুড়াকরন বা চামড়া ছাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হতো; ছোট, গোলাকার পাথরখন্ড যা দিয়ে চামড়া থেকে চর্বি ছাড়ানোর কাজ করা হতো; ছোট ফলা যার ধারালো প্রান্ত দিয়ে মাংস কাটার কাজ করা হতো এবং বিভিন্ন জিনিস সংরক্ষণ করার সরঞ্জাম। এছাড়াও সমাধিটির চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল হরিণ ও লামার (দক্ষিণ আমেরিকার এক ধরনের গৃহপালিত প্রাণী) হাড়গোড় বিশেষ।

প্রজেক্টাইল পয়েন্ট


প্রাথমিক গবেষণায় গবেষকরা ধরে নিয়েছিলেন এইসব শিকার সরঞ্জামাদির মালিক নিশ্চয় কোন পুরুষ হবেন, হয়তো তিনি তার গোত্র কিংবা সমাজের প্রধান ছিলেন। র‍্যান্ডল হ্যাস বলেন, “আমিও আর সবার মতোই ভুল করেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম প্রচলিত ধারণাগুলোর উপর ভর করেই একে বোঝা সম্ভব।  কিন্তু গবেষণাগারে এসে অবশিষ্ট হাড়গোড়ের পরীক্ষা নিরীক্ষার পর দেখা গেল এটি জৈবিকভাবে একজন নারীর দেহ। মানুষের দাঁতের এনামেলে এক ধরনের প্রোটিন রয়েছে যা লিঙ্গের সাথে সম্পর্কিত এবং লিঙ্গ নির্ণয়ে সহায়ক। গবেষণার ফলাফল নিশ্চিত করার জন্য গবেষকরা এই প্রোটিনটি বিশ্লেষণ করে দেখান যে এটি একটি নারীদেহ।”


একটি বিষয় লক্ষ্য করা গুরুত্বপূর্ণ যে, গবেষকরা মরদেহটির জৈবিক লিঙ্গ (Sex) নির্ণয় করতে পারলেও লিঙ্গ পরিচয় (Gender Identity) নির্ণয় করতে পারেন নি। অন্য কথায়, ৯,০০০ বছর আগের সমাজ ব্যবস্থায় এই শিকারীর লিঙ্গ পরিচয় কিভাবে নির্ধারণ করা হতো তা গবেষকদের পক্ষে আজ বলা মুশকিল!



পূর্বানুমানকে চ্যালেঞ্জ করা

এযাবৎকাল ধরে আমাদের প্রচলিত অনুমান ছিল যে আদিম শিকারী সমাজে অর্থাৎ আমাদের পূর্বপুরুষদের সমাজ ব্যবস্থায় পুরুষরাই শিকারীর ভূমিকা পালন করতো এবং নারীরা চয়নকারীর ভূমিকা পালন করতো। ২০১৮ সালে পেরুতে নারী শিকারীর অস্তিত্ব আবিষ্কার আমাদের এতোদিনের প্রচলিত এই পূর্বানুমানকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।

আরিজোনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কিম হিল বলেন, “জেন্ডার রোলের ধারণা নিয়ে এইসব পূর্বানুমান মূলত আধুনিককালের শিকারী-চয়নকারী (Hunter-Gatherer) সমাজগুলো গবেষণার মাধ্যমে তৈরী হয়েছে। আধুনিকতর শিকারী সমাজে পুরুষদেরই শিকারীর ভূমিকায় বেশি দেখা যায় এবং নারীদের দেখা যায় বাচ্চা লালন-পালনের ভূমিকা পালন করতে।” কিম হিল আরো বলেন, “বাচ্চার কান্না থামানোর জন্য কেউ নিশ্চয় হরিণ শিকারের মাঝপথে এসে থেমে যেতে পারে না!”

বর্তমান শিকারী-চয়নকারী (Hunter-Gatherer) সমাজগুলো থেকে অনুমিত ধারণারও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। পুরুষ শিকারী ও নারী চয়নকারী ধারণাটি যে জেন্ডার রোল বিবরণের অতি সরলীকরণ, এই বিষয়ে কয়েক দশক ধরেই প্রত্নতাত্ত্বিকরা বিতর্ক করে আসছেন। পামেলা গ্যালার বলেন, “কয়েকজন ব্যতিক্রম ছাড়া বাকি গবেষকরা- যারা  বিভিন্ন মহাদেশে শিকারী ও সংগ্রহকারীর দলগুলো নিয়ে গবেষণা করেন- তাঁরা মনে করেন শ্রমের লিঙ্গ বিভাজনের ধারণাটি সার্বজনীন এবং তা অনমনীয়। যার ফলে তারা এটা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুশকিলে পড়েন যে পুরুষরাই যদি কেবল শিকারীর ভূমিকা পালন করে থাকে, তবে নারীর সমাধিতেও কিভাবে শিকারের দেহাবশেষ ও শিকার সরঞ্জামাদি পাওয়া গেল!” গ্যালার আরও বলেন, “যখন তারা নারীর সমাধিতে শিকারের প্রমাণাদি খুঁজে পায়, যা তাদের প্রচলিত পূর্বানুমানের সাথে খাপ খায় না, তখন তারা বিষয়টাকে স্পষ্টতই এড়িয়ে যায়! যেন এড়িয়ে গেলেই বিষয়টা গুরুত্ব হারিয়ে ফেলছে!”

শিকারের ক্ষেত্রে জৈবিক লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলের সুরক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য যথাসম্ভব সক্ষম-শারীরিক বয়স্কদের প্রয়োজন হয়। বিংহ্যামটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ববিদ ক্যাথলিন স্টারলিং বলেন, “সন্তান জন্মদানের পর নারী জৈবিক কারণেই নিজের এবং বাচ্চার শারীরিক সুরক্ষার জন্য কিছুদিন শিকার কাজে যেতে পারে না। তবে সন্তান মাতৃদুগ্ধ ছাড়ার পর নারী আবার শিকারে অংশগ্রহণ করতে পারে৷ অন্যথায়, বাচ্চা লালন পালনের ক্ষেত্রে পরিবার বা দলের অন্যান্যদের সহযোগিতা পেলে নারীও প্রায়শই শিকারে বের হতে পারে।”

সমাধিতে পাওয়া সরঞ্জামগুলো যে অর্থ বহন করে

২০১৮ সালের যুগান্তকারী  এই গবেষণার পর হ্যাসের গবেষক দল নারী শিকারীর অস্তিত্ব নির্ণয়ে অনুপ্রাণিত হন। তারা নতুন করে শিকারী অঞ্চলের পুরনো সমাধিগুলো খনন করে গবেষণায় লেগে পড়েন। বেশ কিছু সমাধিতেই তারা শিকার সরঞ্জামের সাথে যে মরদেহের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে তাতে নারী লিঙ্গের(Sex) অস্তিত্ব  শনাক্ত করতে পেরেছেন। কিন্তু নিশ্চিতভাবে লিঙ্গ পরিচয় (Gender identity) নির্ণয় করতে পারেননি। গবেষকরা আরো একটি বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন৷ মরদেহে এবং তার পাশে রাখা শিকার অস্ত্রাদি একই সময়ে প্রোথিত হয়েছে কিনা কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আবার এমনো হতে পারে, হয়তো সব শিকার সরঞ্জামই শিকারীর নয়। কোন কোন ক্ষেত্রে হয়তো যাকে শিকারী ভাবছি সে নিজেই শিকার। অর্থাৎ এমনো ঘটতে পারে কাউকে খুন করার পর শিকারের (যাকে খুন করা হয়েছে) সাথে খুন করার অস্ত্রও সমাধিস্থ করা হয়েছে! এইসব গবেষকদের অনুমান কেবল।

 র‍্যান্ডল হ্যাসের গবেষক দল নতুন করে গবেষণা করার পর ৪২৯টি সমাধির মধ্যে ২৭টি সমাধিতে মরদেহের লিঙ্গ নির্ণয় করতে সক্ষম হন। যার মধ্যে, ১১টি নারী লিঙ্গের মরদেহ শনাক্ত হয় এবং বাকি ১৬টি পুরুষ লিঙ্গের। যেসব মরদেহের লিঙ্গ নির্ণয়ে বেশ দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, সেসব কেস বাদ দিলেও শিকারী নারী ও শিকারী পুরুষের এই প্যাটার্ন একই থাকে। হ্যাস বলেন, “গবেষকদের পূর্বানুমান অনুযায়ী পুরুষরাই কেবল শিকারী এই ধারণার সাথে ২০১৮ সালের নতুন গবেষণা ফলাফলে মোটেই মিল পাওয়া যায়না।”

কিম হিলের মতে, সমাধিতে নারী লিঙ্গের মরদেহের পাশে শিকার সরঞ্জাম পাওয়াতেই এটা নিশ্চিতভাবে প্রমাণ হয়না যে এই নারী এককালে শিকারী ছিলেন। এমনও তো হতে পারে, ধর্মীয় কিংবা সামাজিক রীতিমতো নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকলের সমাধিতেই মরদেহের সাথে অস্ত্র-সরঞ্জাম কবর দেওয়া হতো! সমাধিতে পাওয়া অস্ত্র-সরঞ্জাম কি সমাধিত ব্যক্তির সাথে নিশ্চিতভাবে সম্পর্কিত? কিম হিল উক্ত বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

গবেষণার ফলাফল ও সংশয়ের জবাবে ক্যাথলিন স্টার্লিং বলেন, “যখন আমরা কোন সমাধি খুঁড়ে পুরুষ (Male sex) মরদেহের পাশে শিকারের সরঞ্জাম পাই তখন আমরা শিকারীর পরিচয় কিংবা অস্ত্র-সরঞ্জামের মালিকানা নিয়ে কোন সংশয় প্রকাশ করিনা। আমরা বিনা-দ্বিধায় মেনে নিই এই পুরুষটিই শিকারী ছিলেন এবং এগুলিই তার শিকারের হাতিয়ার। কিন্তু যখনই শিকার সরঞ্জামের পাশে কোন নারী লিঙ্গ শনাক্ত হয়, তখনই এসব দ্বিধা, সংশয় প্রকাশ পায়!” সাথে পামেলা গ্যালার যোগ করেন, ” সাধারণত অনেক রকম প্রচলিত মানসিক প্রবণতার আওতায় এই বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়।”

র‍্যান্ডল হ্যাস জানান, “৯,০০০ বছর পুরোনো যে সমাধিটি নিয়ে আমরা কথা বলছিলাম, সেখানে যেসব সরঞ্জাম পাওয়া গেছে সেগুলো একইসাথে খুব মূল্যবান এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ। যেমন- Projectile point যা বানানো খুবই মুশকিলের কাজ, অথবা, নুড়িপাথরগুলো যা শিলা ভেঙে তৈরী করতে হয়। খুব সহজেই অনুধাবন করা যায় এসব সরঞ্জাম মৃতদেহের পাশে অর্পণ করার জন্য কিংবা উপহারের উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়নি। এগুলি বরং শিকারী সমাজের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়েছিল।”

পামেলা গ্যালারের মতে শিকারী সমাজে নারী পুরুষের লৈঙ্গিক ভূমিকার বিবাদ- বর্তমানকালের লিঙ্গ বিভাজনের আলোচনায় একটি মূখ্য বিষয়। তিনি বলেন, “বর্তমান পৃথিবীজুড়ে লিঙ্গ বিভাজন তো হয়েই আসছে। তার উপর গবেষকরাও যদি এখন প্রমাণ করতে পারেন যে আদিমকাল থেকেই নারী পুরুষের কাজের ভূমিকায় লিঙ্গ বিভাজন ছিল এবং জৈবিকভাবেই পূর্বনির্ধারিত তাহলে তা বর্তমানকালের লিঙ্গ বৈষম্যকে আরো বৈধতা দান করবে, যা বর্তমান নারী সমাজের জন্য খুবই বিপজ্জনক।”

মূল লেখার লিংক

Related Articles

তালাল আসাদের ‘বাকস্বাধীনতা, ব্লাসফেমি আর সেক্যুলার ক্রিটিসিজম’ (প্রথম কিস্তি)

বহু বছর ধরে ইউরোপ-আমেরিকায় বাকস্বাধীনতা আর এর উপর হুমকি নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়ে আসছে। বিশেষ করে যখন ইসলাম...

থিওরি-১: বিবর্তনবাদ ও স্পেন্সার

নৃবিজ্ঞানীদের তত্ত্ব নিয়ে প্রাথমিক ধারণাগুলো জানার জন্য এনথ্রোসার্কেলের পাঠকদের জন্য শুরু করা হয়েছে 'থিওরি সিরিজ'।  থিওরি সিরিজের প্রথম...

ইউরোপের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, প্রথম পর্ব

প্রাথমিক নৃবিজ্ঞান সেকশনটির উদ্দেশ্য হল নৃবিজ্ঞান বিষয়ক প্রাথমিক ধারনাগুলোকে বাংলা ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌছে দেওয়া। প্রাথনিক নৃবিজ্ঞানের এই পর্বে থাকলো ইউরোপীয় ইতিহাসবিষয়ক...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

- Advertisement -

Latest Articles

তালাল আসাদের ‘বাকস্বাধীনতা, ব্লাসফেমি আর সেক্যুলার ক্রিটিসিজম’ (প্রথম কিস্তি)

বহু বছর ধরে ইউরোপ-আমেরিকায় বাকস্বাধীনতা আর এর উপর হুমকি নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়ে আসছে। বিশেষ করে যখন ইসলাম...

থিওরি-১: বিবর্তনবাদ ও স্পেন্সার

নৃবিজ্ঞানীদের তত্ত্ব নিয়ে প্রাথমিক ধারণাগুলো জানার জন্য এনথ্রোসার্কেলের পাঠকদের জন্য শুরু করা হয়েছে 'থিওরি সিরিজ'।  থিওরি সিরিজের প্রথম...

ইউরোপের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, প্রথম পর্ব

প্রাথমিক নৃবিজ্ঞান সেকশনটির উদ্দেশ্য হল নৃবিজ্ঞান বিষয়ক প্রাথমিক ধারনাগুলোকে বাংলা ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌছে দেওয়া। প্রাথনিক নৃবিজ্ঞানের এই পর্বে থাকলো ইউরোপীয় ইতিহাসবিষয়ক...

কেন মানসিক স্বাস্থ্য একটি রাজনৈতিক ইস্যু?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই ওয়েলফেয়ার সিস্টেমের অধীনে জনগণকে সামাজিক সুরক্ষা ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়। কিন্তু নব্য-উদারপন্থী নীতির অধীনে...

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ ধর্ষণের তত্ত্ব তালাশঃ পুরুষতন্ত্র বনাম নারীবাদ

গবেষণাধর্মী বইটিতে ধর্ষণ নিয়ে নৃ-তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হয়েছে যা এর আগে আমাদের দেশে কখনোই হয় নি। প্রথমেই আমি বইটির সাধারণ একটি বর্ণনা দিব এবং পরবর্তীতে একজন আইনের ছাত্র হিসেবে এবং পাঠক হিসেবে আমার মূল্যায়ন তুলে ধরব। - সাইফ ধ্রুব।