জাতিগত(Racial) ধারনা কিভাবে গড়ে উঠে?

পৃথিবীব্যাপি মানুষের জৈবিক বৈচিত্র‍্যের উপর ভিত্তি করে জাতিগত (Racial) ধারণা গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন কারণে এই ধারনার উপর নির্ভরে করে তৈরী হয়েছে জাতিগত বৈষম্য। গায়ের রঙ, চোখের রঙ, উচ্চতা, মাথার খুলির আকার, মুখের গড়নের অভিক্ষেপ ইত্যাদি জৈবিক পার্থক্যকে কেন্দ্র করে জাতিগত বিভাজন যৌক্তিকতা নিয়ে রয়েছে মতপার্থক্য। গায়ের রঙের উপর নির্ভর করে মানুষকে শ্রেণীকরণ করাটা হয়তো সবচেয়ে সহজ উপায়; তবে মোটেই নিঁখুত উপায় নয়। সাধারণত খালি চোখে ‘শ্বেত বর্ণ’ কিংবা ‘কৃষ্ণ বর্ণ’ হিসেবে মানুষকে শ্রেণীকরণ করা যায়। কিন্তু পৃথিবীতে সব বর্ণের মানুষকে যদি ‘শ্বেত থেকে কৃষ্ণ বর্ণ’ কিংবা, ‘কৃষ্ণ থেকে শ্বেত বর্ণ” সারিতে দাঁড় করানো হয় তখন শ্রেণীকরণ করাটা দুঃসাধ্য।

দরিদ্র ও অসমতার বিবেচনায় বর্তমান পৃথিবীতে জাতিগত ধারণা একটি জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমেরিকার স্কুলে বাচ্চাদের শেখানো হয়- ”মানুষ তিনটি জাতিগত শ্রেণীর অন্তর্গত:

.ককেশয়েড (ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার মানুষ);

.নিগ্রোয়েড (সাহারা মরুভূমির দক্ষিণ আফ্রিকান মানুষ);

.মঙ্গোলয়েড (আমেরিকা ও পূর্ব এশিয়ার মানুষ);”

কিন্তু জাতিগত বিভাজন কি সত্যিই এতোটা সরল? মানুষের জৈবিক বৈচিত্র্য কি শ্রেনীকরণ করা যায়? পৃথিবীব্যাপি জাতিগত বৈষম্যের ধারণার কারণ জৈবিক নাকি সাংস্কৃতিক? কবে থেকে এই বৈষম্যের সূচনা? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের ইতিহাসের গভীরে গিয়ে জাতিগত ধারণার শিকড় খুঁজে বের করতে হবে।

মানুষের বৈচিত্রের উপর ভিত্তি করে জাতিগত শ্রেণীকরণের ধারণা বলতে গেলে সাম্প্রতিক ব্যাপার। ইতিহাসের শিকড়ে গেলে পূর্বে এমন কোন ধারণার অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। যেমন- প্রাচীন মিশরীয়রা তাদের চিত্রকলায় সাব-সাহারান আফ্রিকানদের বর্ণনা করে৷ কিন্তু সেখানে আফ্রিকানদের জাতিগত পরিচয়ের কোন উল্লেখ পাওয়া যায় না। গ্রীক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস তার ভ্রমণ কাহিনীর কোথাও জাতিগত ধারণার কথা উল্লেখ করেননি। ইতালীর ঐতিহাসিক ও ভ্রমণপিপাসু মার্কো পোলো, যিনি এশিয়াসহ পৃথিবীর অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন ও তথ্য সংগ্রহ করে লিপিবদ্ধ করেছেন, তিনিও কোথাও জাতিগত ধারণার কথা উল্লেখ করেন নি।

আমেরিকার জৈবিক নৃবিজ্ঞানী চার্লস লরিং ব্রেসের মতে জাতিগত ধারণার সূচনা হয় চৌদ্দ শতকে, রেনেঁসার সময়। রেনেঁসার আগে যখন মানুষ পায়ে হেঁটে কিংবা ঘোড়ায় চড়ে ভ্রমণ করতো, তারা গড়ে দৈনিক ৪০ কি.মি. পারি দিতো। তখন যাত্রাপথে মানুষের জৈবিক বৈচিত্র্য খুব সূক্ষ্ম ছিলো বলে তা চোখে পড়তো না। কিন্তু রেনেঁসা-উত্তরকালে যখন জাহাজ দিয়ে মানুষ দূরদেশে বাণিজ্য কিংবা ভ্রমণে বেরিয়ে পড়তে থাকে, তখন দেশে দেশে মানুষের জৈবিক বৈচিত্র্য স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে। ফলে ইউরোপ ও আফ্রিকার মানুষের মাঝে বৈচিত্র‍্যের ধাপগুলো সহজে ধরা যায়।

আঠারো শতাব্দীতে ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের শ্রেণীবিন্যাসকরণের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রথম শ্রেণীকরণের ধারণা উত্থান করেন। তার ভিত্তিতে জার্মান শারীরতাত্ত্বিক জোহান ফ্রেডরিখ ব্লুমেনবাখ জাতি হিসেবে মানুষের একটি শ্রেণীবিন্যাস তৈরী করেন, যা তিনি ১৯৭৫ সালে ইউনিভার্সিটি অফ গটিংগেন থেকে ‘এমডি’ থিসিস করার সময় প্রকাশ করেন। ব্লুমেনবাখ মূলত মানুষের গায়ের রঙ, বিশেষ কিছু শারীরিক লক্ষ্মণ, যেমন- মাথার খুলির আকার কিংবা মুখের অভিক্ষেপ ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে শ্রেণীবিন্যাস তৈরী করেন। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগৃহীত কয়েকশো মাথার খুলি পর্যবেক্ষণের পর ব্লুমেনবাখ এই উপসংহারে পৌঁছান যে, পৃথিবীর সকল মানুষ পাঁচটা জাতির অন্তর্ভুক্ত: ককেশয়েড, মঙ্গোলয়েড, মালয়, ইথিওপিয়ান (আফ্রিকান) ও আমেরিকান ইন্ডিয়ান। ব্লুমেনবাখের এই শ্রেণীবিন্যাসমূলক গবেষণা মানুষের জাতিগত ধারণাটিকে প্রতিষ্ঠা করে।

আমেরিকান নৃতত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রাঞ্জ বোয়াজ সর্বপ্রথম মানব প্রকরণের এই শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতিটিকে চ্যালেঞ্জ করেন। তিনি পরখ করে দেখতে চেয়েছিলেন মাথার খুলির আকার কিংবা গায়ের রঙের উপর ভিত্তি করে জাতিগত শ্রেণীবিন্যাসের ধারণাটি ঠিক কতোটা যৌক্তিক। ফ্রাঞ্জ বোয়াস ও তাঁর গবেষক দল এমন ১৮০০ অভিবাসী পরিবারের সদস্যের মাথার খুলির দৈর্ঘ্য-প্রস্থ হিসাব করেন, যেসব পরিবারের পিতামাতার জন্ম ইউরোপে ও সন্তানদের জন্ম আমেরিকায়। এই গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় ইউরোপে জন্ম নেওয়া পিতামাতাদের মাথার খুলি ও তাদের আমেরিকায় অভিবাসী হওয়ার পর জন্ম নেওয়া সন্তানদের মাথার খুলির আকারে সূক্ষ্ণ গাণিতিক পার্থক্য বিদ্যমান। এই পার্থক্যটা হয়ে গেছে এক প্রজন্ম ধরে পরিবেশগত পরিবর্তন আর পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে। তার এই ফলাফল জাতিগত পার্থক্যের জৈবিক ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে। অন্যদিকে আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানী ও নাগরিক অধিকারকর্মী ড্যু বয়েস দেখান যে আমেরিকায় বসতি ইউরোপীয় অধিবাসী ও আফ্রিকান অধিবাসীদের যে স্বাস্থ্যগত পার্থক্য বিদ্যমান তা জৈবিক কারণে নয়, বরং সামাজিক অসমতা ও বৈষম্যের কারণে। ফলে এটা স্পষ্ট যে জাতিগত ধারণাটির জৈবিক ভিত্তি নেই, বরং এটা অনেকাংশে পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক। জাতিগত ধারণা অনেকাংশেই একটি সামাজিক নির্মাণ।

কোন একটি শারীরিক বৈশিষ্ট্য (যেমন- মাথার খুলির আকার) এর উপর ভিত্তি করে মানুষের শ্রেণীকরণ করা বেশ সহজ প্রক্রিয়া৷ কিন্তু যদি একাধিক বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে শ্রেণীকরণ করতে যাওয়া হয় তখন? ১৯৭০ সালে আমেরিকার জীববিজ্ঞানী চার্লস লিওন একাধিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মানুষের জৈবিক বৈচিত্র‍্যের শ্রেণীকরণ করতে একটি বৈশ্বিক গবেষণা চালান। এই গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, যেসব জৈবিক বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে জাতির ধারণা গড়ে উঠেছে, সেসব বৈশিষ্ট্যের একটি যদি এক শ্রেণীর সাথে খাপ খায়, তবে অন্য বৈশিষ্ট্য অন্য একটি শ্রেণীর সাথে খাপ খায়। অর্থাৎ কোন জাতির সাথে সবগুলো বৈশিষ্ট্য শতভাগ খাপ খায় না।

তাহলে প্রশ্ন আসে, মানুষ প্রজাতির বৈচিত্র্য ব্যাখ্যার জন্য জাতি শ্রেণীকরণ যদি সঠিক পদ্ধতি না হয় তবে কিভাবে এই বৈচিত্র্য ব্যাখ্যা করা যায়? জৈবিক নৃতাত্ত্বিকদের মতে এই বৈচিত্র‍্যের পেছনে রয়েছে ভৌগোলিক ধারাবাহিকতা (Geographical continuum) অথবা, ‘ক্লাইন’ (Cline)। যেমন- টাইপ ‘বি’ রক্তের ফ্রিকুয়েন্সী পূর্ব এশিয়া থেকে পশ্চিম ইউরোপের দিকে ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়েছে। যেসব অঞ্চলে ম্যালেরিয়া পরজীবি মহামারী আকারে দেখা গেছে সেসব অঞ্চলে হিমোগ্লোবিন ‘এস’ কিংবা মানবদেহের যে জিনটি অ্যানেমিয়ার জন্য দায়ী তার ফ্রিকুয়েন্সী বৃদ্ধি পায়, বিপরীতভাবে যেসব অঞ্চলে ম্যালেরিয়া পরজীবির অস্তিত্ব প্রায় নেই সেসব অঞ্চলে ফ্রিকুয়েন্সী অতি মাত্রায় হ্রাস পায়। অর্থাৎ মানুষের জৈবিক বৈচিত্র‍্যের শ্রেণীকরণ জাতিগত ধারণার উপর ভিত্তি করে করা যায় না। বরং তা নির্ভর করে ভৌগোলিক ধারাবাহিকতার উপর। এই ক্লাইনাল (clinal) বৈচিত্র‍্যের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হচ্ছে মানুষের গায়ের রঙ। যেমন- নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে উচ্চতর অক্ষাংশের দিকে ধীরে ধীরে মানুষের গায়ের রঙ ‘কালো’ থেকে ‘উজ্জ্বলতর’ হয়।

জাতির ধারণা ও মানুষের জৈবিক বৈচিত্র‍্য শ্রেণীকরণ করতে গিয়ে জৈবিক নৃতাত্ত্বিকরা যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্ত্বের সাথে নিয়েছেন তা হলো ডিএনএ সিকুয়েন্সের বৈচিত্র‍্যের মাধ্যমে প্রতিটা মানুষের স্বতন্ত্রতা। যেখানে প্রতিটা মানুষই জৈবিকভাবে স্বতন্ত্র সেখানে কিছু মানুষকে কিসের ভিত্তিতে শ্রেণীকরণ করা সম্ভব হয়? আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে জীবিত কিংবা মৃত মানুষের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ব্যক্তি পরিচয় নির্ণয় করা যায়। তবে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী যৌন প্রজননের মাধ্যমে মাইক্রোস্যাটেলাইটের পুনর্মিলন ঘটাতে পারে। (মাইক্রোস্যাটেলাইট হলো রেপিটেটিভ ডিএনএ’র বান্ডলের মতো। এই বান্ডলে ৫-৫০ টা ডিএনএ মটিফ থাকে। মটিফ মানে মলিকুলার স্ট্রাকচার বা সিকুয়েন্স)। ক্রমাগত জনসংখ্যা বাড়ার ফলে একটা সময় সেই জাতিগোষ্ঠীর কিছু মাইক্রোস্যাটেলাইট আর ব্যক্তিবিশেষে অদ্বিতীয় থাকে না। তখন মাইক্রোস্যাটেলাইট বিশ্লেষণের মাধ্যমে জাতিগত গোষ্ঠীগুলির জেনেটিক পরিবর্তনের নিদর্শনগুলি শনাক্ত করা সম্ভব। আমেরিকার প্রজনন বিজ্ঞানী হুয়া তাং এবং তাঁর গবেষক দল তথাকথিত কিছু জাতির (যেমন- এশিয়ান, আফ্রিকান কিংবা ইউরোপিয়ান জাতিগোষ্ঠী) জিনোম সিকুয়েন্স ও বৈচিত্র‍্যের উপর গবেষণা চালিয়েছেন। তিনি দেখিয়েছেন এই জিনোম সিকুয়েন্স ও প্যাটার্ন কোন জৈবিক শ্রেণীকরণকে নির্দেশ করে না, বরং তা সেসব জাতিগোষ্ঠীর সামাজিক ও প্রব্রজন (migration) ইতিহাসকে নির্দেশ করে।

মানব প্রজাতিকে জাতি শ্রেণীকরণে সঠিকভাবে ভাগ করা যায় না। জৈবিক নৃতাত্বিক ফ্রাঙ্ক লিভিংস্টোন বলেছেন, “There are no races, there are only clines.” মানববৈচিত্র‍্যকে বুঝতে হলে জাতির ধারণায় আটকে থাকলে চলবে না; বরং এর বিবর্তন, বিকাশ ও ইতিহাসকে ভালোভাবে জানতে হবে। জাতিগত ধারণার জৈবিক ভিত্তি নেই; এটি একটি সাংস্কৃতিক ধারণা, যাকে ঘিরে চলছে আজ পৃথিবীজুড়ে অসমতা ও বৈষম্যের রাজনীতি।

Source / Reference : Essentials of Biological Anthropology by Clark Spencer Larsen (chapter-5)

Related Articles

তালাল আসাদের ‘বাকস্বাধীনতা, ব্লাসফেমি আর সেক্যুলার ক্রিটিসিজম’ (প্রথম কিস্তি)

বহু বছর ধরে ইউরোপ-আমেরিকায় বাকস্বাধীনতা আর এর উপর হুমকি নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়ে আসছে। বিশেষ করে যখন ইসলাম...

থিওরি-১: বিবর্তনবাদ ও স্পেন্সার

নৃবিজ্ঞানীদের তত্ত্ব নিয়ে প্রাথমিক ধারণাগুলো জানার জন্য এনথ্রোসার্কেলের পাঠকদের জন্য শুরু করা হয়েছে 'থিওরি সিরিজ'।  থিওরি সিরিজের প্রথম...

ইউরোপের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, প্রথম পর্ব

প্রাথমিক নৃবিজ্ঞান সেকশনটির উদ্দেশ্য হল নৃবিজ্ঞান বিষয়ক প্রাথমিক ধারনাগুলোকে বাংলা ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌছে দেওয়া। প্রাথনিক নৃবিজ্ঞানের এই পর্বে থাকলো ইউরোপীয় ইতিহাসবিষয়ক...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

- Advertisement -

Latest Articles

তালাল আসাদের ‘বাকস্বাধীনতা, ব্লাসফেমি আর সেক্যুলার ক্রিটিসিজম’ (প্রথম কিস্তি)

বহু বছর ধরে ইউরোপ-আমেরিকায় বাকস্বাধীনতা আর এর উপর হুমকি নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়ে আসছে। বিশেষ করে যখন ইসলাম...

থিওরি-১: বিবর্তনবাদ ও স্পেন্সার

নৃবিজ্ঞানীদের তত্ত্ব নিয়ে প্রাথমিক ধারণাগুলো জানার জন্য এনথ্রোসার্কেলের পাঠকদের জন্য শুরু করা হয়েছে 'থিওরি সিরিজ'।  থিওরি সিরিজের প্রথম...

ইউরোপের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, প্রথম পর্ব

প্রাথমিক নৃবিজ্ঞান সেকশনটির উদ্দেশ্য হল নৃবিজ্ঞান বিষয়ক প্রাথমিক ধারনাগুলোকে বাংলা ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌছে দেওয়া। প্রাথনিক নৃবিজ্ঞানের এই পর্বে থাকলো ইউরোপীয় ইতিহাসবিষয়ক...

কেন মানসিক স্বাস্থ্য একটি রাজনৈতিক ইস্যু?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই ওয়েলফেয়ার সিস্টেমের অধীনে জনগণকে সামাজিক সুরক্ষা ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়। কিন্তু নব্য-উদারপন্থী নীতির অধীনে...

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ ধর্ষণের তত্ত্ব তালাশঃ পুরুষতন্ত্র বনাম নারীবাদ

গবেষণাধর্মী বইটিতে ধর্ষণ নিয়ে নৃ-তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হয়েছে যা এর আগে আমাদের দেশে কখনোই হয় নি। প্রথমেই আমি বইটির সাধারণ একটি বর্ণনা দিব এবং পরবর্তীতে একজন আইনের ছাত্র হিসেবে এবং পাঠক হিসেবে আমার মূল্যায়ন তুলে ধরব। - সাইফ ধ্রুব।