থিওরি: টাইলর ও তার তত্ত্ব

[নৃবিজ্ঞানীদের তত্ত্ব নিয়ে প্রাথমিক ধারণাগুলো জানার জন্য এনথ্রোসার্কেলের পাঠকদের জন্য শুরু করা হয়েছে ‘থিওরি সিরিজ’।  থিওরি সিরিজের দ্বিতীয় লেখা ‘টাইলর ও তার তত্ত্ব’ আজকে প্রকাশিত হল। এই পর্বে আমাদের জন্য লিখেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী সাইয়েদা মেহের আফরোজ শাঁওলি ]

নৃবিজ্ঞানের পাঠকদের জন্য এটা মোটেও একটি ‘সংবাদ’ নয় যে এডওয়ার্ড বারনেট টাইলর নামের এই ব্রিটিশ পুরুষকে নৃবিজ্ঞানের একজন জনক হিসেবে ভূষিত করা হয়। তিনি ছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নৃবিজ্ঞানের অধ্যাপক, সমসাময়িক সমাজবিজ্ঞানীদের কাছে তুমুলভাবে প্রশংসনীয়। তার কাজের প্রশংসা করতে গিয়ে ম্যাক্স মুলার নৃবিজ্ঞানকে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন ‘মিস্টার টাইলরের বিজ্ঞান’ হিসেবে। টাইলর আরো অনেকগুলো কারণে নৃবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের কাছে বিখ্যাত। যেমন তার দেয়া চমকপ্রদ সংস্কৃতির সংজ্ঞার জন্যে, যুগ বিভাগ সম্পর্কিত তার কাজের জন্য, প্রাচীন ধর্ম বিষয়ক তার গবেষণার জন্য। 

বাজারের যেকোন বিখ্যাত থিওরির বইতেই থিওরির আগে থিওরিস্টের জীবন নিয়ে আলাপ দেয়া হয়, সে ধারা অব্যাহত রেখে আমরা প্রথমে চোখ ফেরাবো তার প্রথমদিককার জীবনে। ব্রিটেনের একটি মধ্যবিত্ত এবং ধর্মীয় মাইনর পরিবারে তার জন্ম। চার্চের সাথে সংযুক্ত না থাকায় তিনি অক্সফোর্ড বা ক্যামব্রিজে পড়তেও পারেননি। ১৬ বছর বয়সে পারিবারিক ব্যাবসায় যুক্ত হওয়ার আগে শিক্ষা শেষ করেছিলেন কোয়েকাহদের (ব্রিটিশ উচ্চারণে, Quaker; টাইলর পারিবারিকভাবে যে ধর্মের অনুসারী ছিলেন) জন্য বিশেষায়িত স্কুল থেকে৷ 

অ্যাকারম্যান (১৯৮৭:৭৭) বলেছিলেন যে, টাইলর কোয়েকাহ ধর্মের অনুসারী ছিলেন বলেই সংশয়বাদের পথে হাঁটতে পেরেছেন এবং ধর্মকে যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে দেখতে পেরেছিলেন। এর কারণ হল কোয়েকাহ ধারায় বিশ্বাস করা হত যে ইশ্বর আসলে প্রত্যেক মানুষের মাঝেই নিহিত। এবং এভাবে সবাই আসলে সমান ও এক। এতটুকু নিশ্চিত করে বলা যায় যে পারিবারিক এই ধর্মের প্রভাব টাইলরের শিক্ষা এবং পরবর্তী জীবনের ভাবনায় প্রতিফলিত হয়৷ 

বয়স যখন কুড়ির ঘরে তখন টাইলরের একবার টিউবারকুলোসিস ধরা পরে, দেশি ভাষায় আমরা যাকে বলি যক্ষা। ওই সময়টাতে তিনি তার পারিবারিক ব্যবসা থেকে খানিকটা ছুটি নিয়ে হাওয়াবদল করতে যান। তখনই কিউবাতে তার সাক্ষাৎ হয় হেনরি ক্রিস্টি নামের এক ব্রিটিশ ভদ্রলোকের সাথে, যিনি একই সাথে একজন ব্যাবসায়ী এবং আর্কিওলজিস্ট ছিলেন। হেনরি ক্রিস্টির সাথেই পরবর্তীতে টাইলর ভ্রমণ করেন মেক্সিকোতে, অংশগ্রহণ করেন আর্কিওলজিকাল অভিযানে। 

মেক্সিকোতে চারমাসব্যাপী এই অভিযান শেষে টাইলর তার প্রথম বই লিখলেন, যেটা প্রকাশিত হল ১৮৬১ সালে, নাম হল “Anahuac: Or Modern Mexico and Mexican”। বইটি  মুলত একটি ট্রাভেলগের মত করে লেখা ছিল। এই ছিল টাইলরের শুরুর কথা, এরপরে তিনি যে আর পেছনে ফেরেননি, তা আমাদের অজানা না। 

ভেনা ক্রুজের পোর্ট থেকে ক্রিস্টির সাথে তিনি পাড়ি জমান মেক্সিকোর নানান আর্কিওলোজিকাল সাইটে। পরের চার বছরে টাইলর মানুষের অতীত ও বর্তমান সংস্কৃতি নিয়ে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তার আগ্রহের চলমানতা পরিষ্কার হয়ে ওঠে ১৮৬৫ সনে তার নতুন পাবলিকেশন “History of Mankind and the Development of Civilization” প্রকাশের পর। 

যদিও তার লেখা সবচে বিখাত বইটির নাম “Primitive Culture”,  প্রকাশকাল ১৮৭১। ইউরোপে তখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে রোমান্টিক মুভমেন্ট, আলোকময়তা তখন পরিপুষ্ট, অর্ধ পৃথিবী ইউরোপিয়ান স্টেকহোল্ডারের দখলে, স্পেন্সার ইতিমধ্যে ২০ বছর আগে সোশ্যাল এভ্যুলেশনের রাস্তা দেখিয়েছেন, ১১ বছর আগে প্রকাশিত হয়েছে এক ন্যাচারালিস্টের লেখা বিবর্তন সম্পর্কিত বই যা মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে বৈজ্ঞানিক চিন্তা পদ্ধতির। বলতে এসেছি তত্ত্ব, কিন্তু খানিকটা ইতিহাস কপচাতেই হচ্ছে, কেননা সামাজিক বিবর্তনবাদী মতবাদ বুঝতে এবং এর খুঁতগুলো ধরতে ইতিহাস বোঝা জরুরি। 

তা বলছিলাম টাইলরের সবচেয়ে আলোচিত বইয়ের কথা। সংস্কৃতির বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা বলতে আজ আমরা যা বুঝি তার শুরুই হয়েছিলো এই বই থেকে; যে কারনে এই বইটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এন্থ্রোপলজিকাল ক্লাসিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই বই থেকে দুটো ব্যাপার হাজির হয়; এক, ‘ডকট্রিন অফ সারভাইবালস’, দুই, ‘থিওরি অফ এনিমিজম’। সংস্কৃতি সম্পর্কে টাইলরের যে বিখ্যাত সংজ্ঞা তা এখান থেকেই নেয়া। এই সংজ্ঞাটিতে লক্ষনীয় শব্দটি হল ‘অর্জিত’, তিনি পরিষ্কারভাবেই জোর দিয়েছেন শব্দটিতে, এই বিশ্বাস থেকে যে সংস্কৃতি কেবল মনুষ্য সমাজের অংশ হিসেবে অর্জন করা সম্ভব। 

বইটিতে টাইলর মূলত আলাপ করেছেন সংস্কৃতি এবং আদিম সমাজে ধর্মের উৎস সম্পর্কে। দুই ধরনের রিকন্সট্রাকশনের ওপর ভিত্তি করে মূলত তিনি এই তত্ত্ব দেন। তার মাঝে একটি ছিল জিওলজিস্ট এবং আরকিওলজিস্টেরদের সংগ্রহ করা ডাটা এবং আরটিফ্যাক্টসকে ভিত্তি করে। তিনি

এইক্ষেত্রে সি.যে থমসেনের তিন-যুগ মডেল দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। থমসেনের মতে এই তিনটি ক্রমিক যুগ হল- স্টোন বা প্রস্তর, ব্রোঞ্জ বা তাম্র এবং আয়রন বা লৌহ। মানবজাতি প্রস্তর যুগ থেকে ক্রমান্বয়ে লৌহ যুগে এসেছে। থমসেনের এই চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে টাইলরও মানব সংস্কৃতির ধাপে ধাপে বিকশিত হওয়ার কথা বলেন।  একইসাথে  ম্যাটেরিয়াল এবং নন ম্যাটেরিয়াল কালচারকে হিসেবে নিয়ে তিনি এই কনক্লুশনে আসেন যে মানব সভ্যতা বন্য ও বর্বর দশা পাড়ি দিয়ে সভ্যতায় উপনীত হয়েছে। এখানে তিনি এও বলেছেন যে তৎকালীন আদিম সমাজগুলো তখনও ‘বর্বর’ দশায় ছিল। তবে তার সমসাময়িক আমেরিকান বিবর্তনবাদী লুইস হেনরি মরগান বিভিন্ন সংস্কৃতিকে বিভিন্ন দশা দ্বারা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন, এ কাজটি টাইলর করেননি। 

তবে তার যে কাজটিকে আমি এবং অন্যান্য তত্ত্ব চর্চাকারীরা সবচেয়ে গুরত্ব দিয়েছেন, তা হল আদিম ধর্ম নিয়ে করা টাইলরের গবেষণা। টাইলর ধর্মকে একটি ইউনিভার্সাল সংস্কৃতি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, বলেছেন এমন কোনো সংস্কৃতি খুঁজেই পাওয়া যাবে না যেখানে ধর্মের অস্তিত্ব নেই। তার মতে ধর্ম মূলত রূপ লাভ করেছে আত্মা অথবা সোল বলতে আমরা যা বুঝি তার ওপর বিশ্বাসের মাধ্যমে। এই ব্যাপারটিকে একটি টার্মে প্রকাশ করবার প্রচেষ্টাও তিনি করেছেন। এরূপ আত্মায় বিশ্বাস করাকে তিনি বলেছেন “অ্যানিমিজম” যেখানে “অ্যানিমা” অর্থ হল আত্মা বা সোল। তার মতে অ্যানিমিজম হল ধর্মের সবচেয়ে আদি রূপ যেখান থেকে তৈরি হয়েছে “পলিথিজম” বা বহু দেবতার ওপর বিশ্বাস। এবং এ থেকেই এসেছে মনোথিজম বা এক অপরিসীম শক্তির অধিকারী ঈশ্বরের প্রতিচ্ছবি, যে বিশ্বাসকে তিনি বলেছেন আধুনিক ‘সভ্য’ সমাজে উদ্ভূত হওয়া বিশ্বাস। এখানেও আমরা তিনটি সাকসেসিভ স্টেজ দেখতে পাই, অ্যানিমিজম, পলিথিজম এবং মনোথিজম। তার তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি যে ধর্মের সূত্র ধরে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিবর্তন দেখিয়েছেন তা থেকে তাকে একজন বিবর্তনবাদী বলে চেনার কারণটি বুঝা যায়।  

তার বিশ্বাস অনুসারে, আদিম মানুষেরা মনে করতেন যে প্রত্যেক মানুষের মাঝে আসলে দুটো সত্ত্বা কাজ করে, একটি তার ম্যাটেরিয়াল বডি বা যাকে বলা যায় শরীর, তার বাইরেও আছে একই ধরনের ফ্যানটম বডি বা স্পিরিট। এই সত্ত্বা সাধারণত হত অশুভ। জীবনীশক্তি ম্যাটেরিয়াল বডি বা শরীরকে কার্যক্ষম করে, যদিও এর পাশাপাশি সেকেন্ড সেলফ হিসেবে বিরাজমান থাকত অশুভ আত্মাটি। মৃত্যুর পর মানুষের জীবনীশক্তি ফুরিয়ে গেলেও ফ্যান্টমিক অশুভ শক্তিটা রয়ে যেত পৃথিবীতেই। এভাবেই ‘বর্বর’ মানুষেরা দু’ধরনের সেলফের ধারনা বদ্ধমূলভাবে বিশ্বাস করে,  ১) বডি সোল আর ২) ঘোস্ট সোল। এখন ভূত যেহেতু আছে সুতরাং ভুতের উপদ্রবকে তো বিচার করতেই হয়। বরং বলা যেতে পারে ভুতের উপদ্রব থেকেই হয়ত ভূতের থাকার ব্যাপারটা মাথায় আসতে পারে। এবং নানা সময়ে নানা ভাবে তারা এই ভূত দেখতে থাকে এবং এরপরে আদিম মানুষের এ ধারনা জন্মায় যে শুধু মানুষ কেন, বরং সকল এক্সিস্টিং জিনিসেরই একটি ফ্যান্টমিক সোল থাকা অবাক কিছুই নয়। এবং সেখান থেকে সূর্য, গাছ, নদী, পাহাড় ইত্যাদি প্রাকৃতিক সাবজেক্টের একটা করে সোল থাকার চিন্তা আসা অমূলক না। এই চিন্তাধারা অবশ্য আগেই উল্লেখ করে গেছেন অগাস্ট কোঁতে, একে বলা হয় ফেটিশিজম। যদিও কোঁতের ফেটিশিজমের ধারনা টাইলরের এনিমিজমের ধারনা থেকে আলাদা, কিন্তু মূলে প্রত্যেক ম্যাটেরিয়াল ও নন ম্যাটেরিয়াল বস্তুর এক ধরনের সোল থাকার যে ধারনা সেটা মিলে যায় দুটোর মাঝে। 

তা টাইলর মনে করতেন, আদিম মানুষের স্পিরিট নিয়ে যে ভাবনা তার দুটো স্তর ছিল । একটি হল কনভিকশনের ধাপ, যে ধাপে তারা মনে করতেন আত্মাগুলো মর্ত্যে ঘোরাফেরা করে বেড়ায়, এবং মাঝেসাঝে জীবিত থাকাকালে যে বাসস্থানে এই আত্মাধারী মানুষগুলো একসময় বসবাস করতেন সেখানে হানা দেয়। দ্বিতীয় ধাপটি হচ্ছে মেটামরফোসিস বা স্বরুপ বদলের।মৃত্যুর পর এই আত্মাগুলো পুনরায় জন্মলাভ করে অন্য কোনো মানুষ বা গাছ বা প্রাণী রূপে। এর বাইরেও একটা ধারনা তাদের ছিল যে এই মানুষগুলো অন্য কোনো দুনিয়াতে চলে যায়, সেই দুনিয়া হতে পারে কোনো নির্জন দ্বীপ অথবা পাহাড় অথবা আন্ডারওয়ার্ল্ড। পরের দুটো ধাপকে টাইলর বলেছেন “ রিট্রিবিউশন”। 

প্রত্যেকটা লিভিং বা নন লিভিং থিং এর এই সোল প্রাপ্তির ব্যাপারটি উদ্ভব ঘটায় বহুদেবতায় বিশ্বাসের, যাকে টাইলর বলেছেন পলিথিজম। সূর্য দেবতা, বৃক্ষ দেবতা, আকাশ ও সমুদ্রের দেবতা, প্রাচীন পুঁথি ও পুরাণ ঘাটলে এদের অস্তিত্ব আমরা দেখতে পাই। এবং এই বহু দেবতার উপরের ‘দেবতা’ কে, সেই প্রশ্ন থেকে রূপ লাভ করে একজন পরক্রমশালী ঈশ্বরের। গায়া পান্ডে ও ভি এস উপাধ্যায় তাদের থিওরির বইতে (১৯৯৩) ব্যাখ্যা করেছেন কি করে সনাতন ধর্মে ব্রহ্মা সর্বশক্তির অধিকারী হিসেবে পরিচিত হন। 

এসবের পরে তার আরো কিছু খুচরো কাজ এবং বইতে তিনি নৃবিজ্ঞান কী, এর পাঠপ্রণালী কি হতে পারে ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচন করেন। যে অক্সফোর্ডে তিনি পড়তে পারেননি নিজের মাইনর পরিচয়ের জন্য সেখানেই সুচনা করেন নৃবিজ্ঞানের একাডেমিয়ার। 

এই ছিল আমার ভাষায় টাইলরের কাজ ও জীবন নিয়ে অতি সংক্ষিপ্ত. এক বিবরণ, এর বাইরে আরও লেখার স্পর্ধা বা সাহস আমার আপাতত নেই। 

Related Articles

ফরেনসিক নৃবিজ্ঞানঃ সংক্ষিপ্ত পরিচয়

বিংশ শতাব্দীতে নৃবিজ্ঞানের যেসকল নব নব ক্ষেত্র বা উপশাখা পরিস্ফুটিত হয়েছে, তন্মধ্যে ফরেনসিক এন্থ্রোপোলজি বা ফরেনসিক নৃবিজ্ঞান অন্যতম।...

সামাজিক বাস্তবতা নির্মাণে প্রতীকী নৃতত্ত্বের ভূমিকা

আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি যে এই প্রকৃতির সকল ঘটনাকে সকল মানুষ একইভাবে ধারণ করে কিনা? একজন সাহিত্যিক...

মাতৃসূত্রীয় পরিবারে নারীর স্বাস্থ্য সুবিধা ও নারীপ্রধান খানা গঠনের স্বাধীনতা

মাতৃসূত্রীয় খানাব্যবস্থা বনাম পিতৃসূত্রীয় খানাব্যবস্থায় স্বাস্থ্য সুবিধার দিকটিতে আলোকপাত করার আগে প্রথমেই আমাদের জ্ঞাতিত্ব, বংশধারা, মাতৃসূত্রীতা, পিতৃসূত্রীতা, খানাব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়ের সংজ্ঞায়ন করা...

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

Latest Articles

ফরেনসিক নৃবিজ্ঞানঃ সংক্ষিপ্ত পরিচয়

বিংশ শতাব্দীতে নৃবিজ্ঞানের যেসকল নব নব ক্ষেত্র বা উপশাখা পরিস্ফুটিত হয়েছে, তন্মধ্যে ফরেনসিক এন্থ্রোপোলজি বা ফরেনসিক নৃবিজ্ঞান অন্যতম।...

সামাজিক বাস্তবতা নির্মাণে প্রতীকী নৃতত্ত্বের ভূমিকা

আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি যে এই প্রকৃতির সকল ঘটনাকে সকল মানুষ একইভাবে ধারণ করে কিনা? একজন সাহিত্যিক...

মাতৃসূত্রীয় পরিবারে নারীর স্বাস্থ্য সুবিধা ও নারীপ্রধান খানা গঠনের স্বাধীনতা

মাতৃসূত্রীয় খানাব্যবস্থা বনাম পিতৃসূত্রীয় খানাব্যবস্থায় স্বাস্থ্য সুবিধার দিকটিতে আলোকপাত করার আগে প্রথমেই আমাদের জ্ঞাতিত্ব, বংশধারা, মাতৃসূত্রীতা, পিতৃসূত্রীতা, খানাব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়ের সংজ্ঞায়ন করা...

অন্তর্যাত্রাঃ একটি নৃতাত্ত্বিক ভাবনা

কাহিনী সংক্ষেপ "ক্লাসের বন্ধুরা বাংলাদেশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আমি সবসময় বিব্রতবোধ করেছি। বাংলাদেশ আমার কাছে...

সঙ্গীত কি আমাদের দারিদ্র্য ও অসমতার বোঝাপড়ায় প্রভাব রাখতে পারে?

সঙ্গীত এবং উন্নয়ন অধ্যয়নের মধ্যে কী মিল রয়েছে? এই প্রশ্নে ডেভিড লুইস বলছেন, "আপনি যা ভাবছেন তার চেয়ে...